ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মহাকালের সমাপ্তি : বেগম খালেদা জিয়া — একটি রাষ্ট্রের আত্মমর্যাদার নাম!

মোঃ সাজিদুর রহমান সাজু

ঈন্না লিল্লাহি ওয়া ঈন্না ইলাইহি রাজিউন।

বাংলাদেশ আজ শোকস্তব্ধ। থমকে গেছে রাজনীতির সময়চক্র। বিদায় নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর ইন্তিকালের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি পূর্ণাঙ্গ যুগের সমাপ্তি ঘটল।

তিনি ছিলেন শুধু একটি দলের নেতা নন—তিনি ছিলেন একটি সময়, একটি আদর্শ এবং একটি আপসহীন সংগ্রামের নাম।

এক নারীর হাত ধরে গণতন্ত্রের পুনর্জন্ম:-

স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর ইতিহাসের কঠিন বাস্তবতায় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন খালেদা জিয়া। ১৯৮৪ সালে বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন।

১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশে পুনরায় সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তিনি ফিরিয়ে দেন জনগণের ভোটাধিকার ও সংসদের পূর্ণ ক্ষমতা—যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।ঈন্না লিল্লাহি ওয়া ঈন্না ইলাইহি রাজিউন।

বাংলাদেশ আজ শোকস্তব্ধ। থমকে গেছে রাজনীতির সময়চক্র। বিদায় নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর ইন্তিকালের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি পূর্ণাঙ্গ যুগের সমাপ্তি ঘটল।

তিনি ছিলেন শুধু একটি দলের নেতা নন—তিনি ছিলেন একটি সময়, একটি আদর্শ এবং একটি আপসহীন সংগ্রামের নাম।

এক নারীর হাত ধরে গণতন্ত্রের পুনর্জন্ম:-

স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর ইতিহাসের কঠিন বাস্তবতায় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন খালেদা জিয়া। ১৯৮৪ সালে বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন।
১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশে পুনরায় সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তিনি ফিরিয়ে দেন জনগণের ভোটাধিকার ও সংসদের পূর্ণ ক্ষমতা—যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।

দুই মেয়াদের রাষ্ট্রনায়কত্ব ও উন্নয়নের ছাপ:-

১৯৯১–৯৬ এবং ২০০১–০৬ — দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর শাসনামলে—

প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও বেতনমুক্ত হয়

নারী শিক্ষার বিস্তার ঘটে

গ্রামীণ অবকাঠামোতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়

মাদরাসা শিক্ষা জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থার মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত হয়

শহীদ জিয়ার আত্মনির্ভরতার দর্শন রাষ্ট্রীয় নীতিতে রূপ পায়

তিনি ক্ষমতা পরিচালনা করেননি কেবল, রাষ্ট্র পরিচালনার একটি দর্শন নির্মাণ করেছিলেন।

কারাগার থেকে আন্দোলনের প্রতীক:-

রাজনৈতিক জীবনের শেষ অধ্যায় ছিল সবচেয়ে নির্মম।মামলা, কারাবরণ, অসুস্থতা ও চিকিৎসা বঞ্চনার মধ্যেও তিনি কখনো আপস করেননি।তিনি দেশ ছাড়েননি, আদর্শ বিসর্জন দেননি।

কারাগারেও তিনি হয়ে উঠেছিলেন আন্দোলনের প্রতীক।নীরবতা দিয়েই তিনি শাসনব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে গেছেন।

খালেদা জিয়া—একটি নাম, একটি প্রতিষ্ঠান:-

বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া মানে ছিল গণতন্ত্রের প্রতীক,আপসহীনতার সাহসী উচ্চারণ রাজনৈতিক আত্মমর্যাদার নাম।কোটি মানুষের আশা ও নির্ভরতার ছায়া।

তিনি শুধু নেতা নন—তিনি ছিলেন একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।এক যুগের অবসান, এক আদর্শের শুরু আজ তিনি নেই।

কিন্তু তার রেখে যাওয়া আদর্শ, সাহস ও গণতান্ত্রিক চেতনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে চিরকাল আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে।

আল্লাহ তায়ালা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন। আমীন।

দুই মেয়াদের রাষ্ট্রনায়কত্ব ও উন্নয়নের ছাপ:-
১৯৯১–৯৬ এবং ২০০১–০৬ — দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর শাসনামলে—
প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও বেতনমুক্ত হয় নারী শিক্ষার বিস্তার ঘটে।
গ্রামীণ অবকাঠামোতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়।
মাদরাসা শিক্ষা জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থার মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
শহীদ জিয়ার আত্মনির্ভরতার দর্শন রাষ্ট্রীয় নীতিতে রূপ পায়।
তিনি ক্ষমতা পরিচালনা করেননি কেবল, রাষ্ট্র পরিচালনার একটি দর্শন নির্মাণ করেছিলেন।

কারাগার থেকে আন্দোলনের প্রতীক:-

রাজনৈতিক জীবনের শেষ অধ্যায় ছিল সবচেয়ে নির্মম।
মামলা, কারাবরণ, অসুস্থতা ও চিকিৎসা বঞ্চনার মধ্যেও তিনি কখনো আপস করেননি।তিনি দেশ ছাড়েননি, আদর্শ বিসর্জন দেননি।
কারাগারেও তিনি হয়ে উঠেছিলেন আন্দোলনের প্রতীক।
নীরবতা দিয়েই তিনি শাসনব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে গেছেন।
খালেদা জিয়া—একটি নাম, একটি প্রতিষ্ঠান,বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া মানে ছিল—গণতন্ত্রের প্রতীক,আপসহীনতার সাহসী উচ্চারণ,রাজনৈতিক আত্মমর্যাদার নাম,কোটি মানুষের আশা ও নির্ভরতার ছায়া।
তিনি শুধু নেতা নন—তিনি ছিলেন একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
এক যুগের অবসান, এক আদর্শের শুরু আজ তিনি নেই।
কিন্তু তার রেখে যাওয়া আদর্শ, সাহস ও গণতান্ত্রিক চেতনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে চিরকাল আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে।
আল্লাহ তায়ালা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন। আমীন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১১:০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
১৯১ বার পড়া হয়েছে

মহাকালের সমাপ্তি : বেগম খালেদা জিয়া — একটি রাষ্ট্রের আত্মমর্যাদার নাম!

আপডেট সময় ১১:০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

ঈন্না লিল্লাহি ওয়া ঈন্না ইলাইহি রাজিউন।

বাংলাদেশ আজ শোকস্তব্ধ। থমকে গেছে রাজনীতির সময়চক্র। বিদায় নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর ইন্তিকালের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি পূর্ণাঙ্গ যুগের সমাপ্তি ঘটল।

তিনি ছিলেন শুধু একটি দলের নেতা নন—তিনি ছিলেন একটি সময়, একটি আদর্শ এবং একটি আপসহীন সংগ্রামের নাম।

এক নারীর হাত ধরে গণতন্ত্রের পুনর্জন্ম:-

স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর ইতিহাসের কঠিন বাস্তবতায় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন খালেদা জিয়া। ১৯৮৪ সালে বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন।

১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশে পুনরায় সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তিনি ফিরিয়ে দেন জনগণের ভোটাধিকার ও সংসদের পূর্ণ ক্ষমতা—যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।ঈন্না লিল্লাহি ওয়া ঈন্না ইলাইহি রাজিউন।

বাংলাদেশ আজ শোকস্তব্ধ। থমকে গেছে রাজনীতির সময়চক্র। বিদায় নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর ইন্তিকালের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি পূর্ণাঙ্গ যুগের সমাপ্তি ঘটল।

তিনি ছিলেন শুধু একটি দলের নেতা নন—তিনি ছিলেন একটি সময়, একটি আদর্শ এবং একটি আপসহীন সংগ্রামের নাম।

এক নারীর হাত ধরে গণতন্ত্রের পুনর্জন্ম:-

স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর ইতিহাসের কঠিন বাস্তবতায় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন খালেদা জিয়া। ১৯৮৪ সালে বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন।
১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশে পুনরায় সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তিনি ফিরিয়ে দেন জনগণের ভোটাধিকার ও সংসদের পূর্ণ ক্ষমতা—যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।

দুই মেয়াদের রাষ্ট্রনায়কত্ব ও উন্নয়নের ছাপ:-

১৯৯১–৯৬ এবং ২০০১–০৬ — দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর শাসনামলে—

প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও বেতনমুক্ত হয়

নারী শিক্ষার বিস্তার ঘটে

গ্রামীণ অবকাঠামোতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়

মাদরাসা শিক্ষা জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থার মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত হয়

শহীদ জিয়ার আত্মনির্ভরতার দর্শন রাষ্ট্রীয় নীতিতে রূপ পায়

তিনি ক্ষমতা পরিচালনা করেননি কেবল, রাষ্ট্র পরিচালনার একটি দর্শন নির্মাণ করেছিলেন।

কারাগার থেকে আন্দোলনের প্রতীক:-

রাজনৈতিক জীবনের শেষ অধ্যায় ছিল সবচেয়ে নির্মম।মামলা, কারাবরণ, অসুস্থতা ও চিকিৎসা বঞ্চনার মধ্যেও তিনি কখনো আপস করেননি।তিনি দেশ ছাড়েননি, আদর্শ বিসর্জন দেননি।

কারাগারেও তিনি হয়ে উঠেছিলেন আন্দোলনের প্রতীক।নীরবতা দিয়েই তিনি শাসনব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে গেছেন।

খালেদা জিয়া—একটি নাম, একটি প্রতিষ্ঠান:-

বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া মানে ছিল গণতন্ত্রের প্রতীক,আপসহীনতার সাহসী উচ্চারণ রাজনৈতিক আত্মমর্যাদার নাম।কোটি মানুষের আশা ও নির্ভরতার ছায়া।

তিনি শুধু নেতা নন—তিনি ছিলেন একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।এক যুগের অবসান, এক আদর্শের শুরু আজ তিনি নেই।

কিন্তু তার রেখে যাওয়া আদর্শ, সাহস ও গণতান্ত্রিক চেতনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে চিরকাল আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে।

আল্লাহ তায়ালা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন। আমীন।

দুই মেয়াদের রাষ্ট্রনায়কত্ব ও উন্নয়নের ছাপ:-
১৯৯১–৯৬ এবং ২০০১–০৬ — দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর শাসনামলে—
প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও বেতনমুক্ত হয় নারী শিক্ষার বিস্তার ঘটে।
গ্রামীণ অবকাঠামোতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়।
মাদরাসা শিক্ষা জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থার মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
শহীদ জিয়ার আত্মনির্ভরতার দর্শন রাষ্ট্রীয় নীতিতে রূপ পায়।
তিনি ক্ষমতা পরিচালনা করেননি কেবল, রাষ্ট্র পরিচালনার একটি দর্শন নির্মাণ করেছিলেন।

কারাগার থেকে আন্দোলনের প্রতীক:-

রাজনৈতিক জীবনের শেষ অধ্যায় ছিল সবচেয়ে নির্মম।
মামলা, কারাবরণ, অসুস্থতা ও চিকিৎসা বঞ্চনার মধ্যেও তিনি কখনো আপস করেননি।তিনি দেশ ছাড়েননি, আদর্শ বিসর্জন দেননি।
কারাগারেও তিনি হয়ে উঠেছিলেন আন্দোলনের প্রতীক।
নীরবতা দিয়েই তিনি শাসনব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে গেছেন।
খালেদা জিয়া—একটি নাম, একটি প্রতিষ্ঠান,বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া মানে ছিল—গণতন্ত্রের প্রতীক,আপসহীনতার সাহসী উচ্চারণ,রাজনৈতিক আত্মমর্যাদার নাম,কোটি মানুষের আশা ও নির্ভরতার ছায়া।
তিনি শুধু নেতা নন—তিনি ছিলেন একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
এক যুগের অবসান, এক আদর্শের শুরু আজ তিনি নেই।
কিন্তু তার রেখে যাওয়া আদর্শ, সাহস ও গণতান্ত্রিক চেতনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে চিরকাল আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে।
আল্লাহ তায়ালা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন। আমীন।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/prothomsongbad24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481